আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব
প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে-কলমে শেখার জন্য রয়েছে আলাদা কম্পিউটার, প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার এবং প্র্যাকটিস করার উপযোগী ল্যাব পরিবেশ।
২০২১ সালের ছোট্ট একটি রুম থেকে শুরু হওয়া কম্পিউটার স্কুল আজ হাজারো শিক্ষার্থীর আস্থার জায়গা। মানসম্মত ক্লাস, আন্তরিক সাপোর্ট, প্র্যাকটিক্যাল লার্নিং, আধুনিক ক্যাম্পাস এবং ক্যারিয়ার গাইডলাইনের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের পাশে থাকি শেখার শুরু থেকে ভবিষ্যতের প্রস্তুতি পর্যন্ত।
শিক্ষার্থীরা যেন মনোযোগ দিয়ে শিখতে পারে, নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে পারে এবং প্রয়োজনের সময় পাশে একজন গাইড পায়—সেই লক্ষ্যেই সাজানো হয়েছে আমাদের ক্যাম্পাস, ল্যাব ও সাপোর্ট সিস্টেম।
প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে-কলমে শেখার জন্য রয়েছে আলাদা কম্পিউটার, প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার এবং প্র্যাকটিস করার উপযোগী ল্যাব পরিবেশ।
শান্ত, পরিচ্ছন্ন ও মনোরম পরিবেশে ক্লাস করার জন্য রয়েছে আরামদায়ক ক্লাসরুম, যেখানে শেখা হয় আরও সহজ ও মনোযোগীভাবে।
লাইভ ক্লাস, অনলাইন রিসোর্স, মার্কেটপ্লেস প্র্যাকটিস ও প্রজেক্ট কাজের জন্য রয়েছে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা।
ক্লাসের বাইরে শিক্ষার্থীরা যেন বসে প্র্যাকটিস করতে পারে, নোট নিতে পারে এবং নিজের কাজ শেষ করতে পারে—তার জন্য রয়েছে আলাদা স্টাডি সুবিধা।
শুধু শেখা নয়, বাস্তব কাজের মতো প্রজেক্ট তৈরি, অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করা এবং পোর্টফোলিও গড়ার জন্য রয়েছে প্র্যাকটিক্যাল প্র্যাকটিস ব্যবস্থা।
কোর্স, ক্লাস, প্র্যাকটিস, অ্যাসাইনমেন্ট বা টেকনিক্যাল সমস্যায় দ্রুত সহায়তার জন্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকে আমাদের সাপোর্ট টিম।
কম্পিউটার স্কুল শুধু শেখানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীরা যেন শেখা স্কিল দিয়ে বাস্তব কাজ, ইন্টারভিউ, ফ্রিল্যান্সিং বা জব মার্কেটে আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যেতে পারে—সেজন্য থাকে ধাপে ধাপে ক্যারিয়ার গাইডলাইন।
কোর্স শেষে শিক্ষার্থীর দক্ষতা, প্র্যাকটিস, অ্যাসাইনমেন্ট ও প্রজেক্ট দেখে তার শক্তি ও উন্নতির জায়গাগুলো চিহ্নিত করা হয়।
শেখা কাজগুলো সাজিয়ে একটি সুন্দর পোর্টফোলিও তৈরি করা, প্রফেশনাল CV বানানো এবং নিজেকে উপস্থাপনের গাইডলাইন দেওয়া হয়।
জব ইন্টারভিউ, ক্লায়েন্ট কমিউনিকেশন, কাজ ব্যাখ্যা করা এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করা হয়।
যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাসঙ্গিক কাজ, ইন্টার্নশিপ ও জব সুযোগের সাথে সংযোগ তৈরির চেষ্টা করা হয়।
নোট: আমরা চাকরির গ্যারান্টি দিই না, তবে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা, পোর্টফোলিও, ইন্টারভিউ প্রস্তুতি ও ক্যারিয়ার গাইডলাইনে সর্বোচ্চ সাপোর্ট দিয়ে থাকি।
অনেক সময় একটি ক্লাসেই সবকিছু পরিষ্কার হয় না। তাই কম্পিউটার স্কুলে রেগুলার ক্লাসের পাশাপাশি থাকে অতিরিক্ত সেশন, ওয়ার্কশপ, রিভিশন ও গাইডলাইন—যাতে কোনো শিক্ষার্থী পিছিয়ে না পড়ে।
যে টপিক বুঝতে সমস্যা হয়, সেটি নিয়ে আলাদাভাবে আলোচনা করা হয় এবং শিক্ষার্থীর কনফিউশন দূর করা হয়।
কোর্সের বাইরেও দরকারি টুলস, ট্রেন্ড, টেকনিক ও বাস্তব কাজের কৌশল নিয়ে বিশেষ ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হয়।
ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করা অভিজ্ঞ প্রফেশনালদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা, ক্যারিয়ার টিপস ও কাজের গাইডলাইন পায়।
কমিউনিকেশন, টাইম ম্যানেজমেন্ট, ক্লায়েন্ট হ্যান্ডলিং, প্রেজেন্টেশন ও প্রফেশনাল আচরণ শেখানো হয়।
জীবনের ব্যস্ততা বা অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে ক্লাস মিস হতে পারে। তাই কম্পিউটার স্কুলে রয়েছে ব্যাকআপ ক্লাস, রেকর্ডেড লেসন, রিভিশন এবং মেন্টর সাপোর্ট—যাতে শিক্ষার্থী নিজের গতিতে আবার শেখায় ফিরে আসতে পারে।
কোনো ক্লাস মিস হলে শিক্ষার্থী রেকর্ডেড ক্লাস দেখে নিজের সুবিধামতো টপিকটি আবার বুঝে নিতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস বা টপিক মিস হলে নির্ধারিত সময়ে ব্যাকআপ সেশনের মাধ্যমে শেখার সুযোগ থাকে।
কোর্সের গুরুত্বপূর্ণ টপিক, অ্যাসাইনমেন্ট ও প্রজেক্ট নিয়ে নিয়মিত রিভিশন করানো হয়।
ক্লাসের বাইরে প্র্যাকটিস করতে গিয়ে সমস্যা হলে সাপোর্ট মেন্টররা শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে সমাধান দিতে কাজ করেন।
কোর্স শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য নয়। একজন শিক্ষার্থী যেন শেখা স্কিল দিয়ে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করতে পারে, কাজের জন্য প্রস্তুত হতে পারে এবং সঠিক দিকনির্দেশনা পায়—সেজন্য কাজ করে আমাদের ক্যারিয়ার ও প্লেসমেন্ট সাপোর্ট টিম।
শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার প্রস্তুতি, পোর্টফোলিও, CV এবং কাজের সুযোগ খোঁজার ক্ষেত্রে গাইড করার জন্য রয়েছে আলাদা সাপোর্ট টিম।
স্থানীয় ব্যবসা, আইটি প্রতিষ্ঠান, এজেন্সি ও বিভিন্ন প্রফেশনাল নেটওয়ার্কের সাথে শিক্ষার্থীদের সংযোগ তৈরির চেষ্টা করা হয়।
কোর্স শেষ হওয়ার পরও শিক্ষার্থীর অগ্রগতি, প্রস্তুতি ও ক্যারিয়ার আপডেট নিয়ে নিয়মিত ফলোআপ করা হয়।
কোন শিক্ষার্থী কোন স্কিলে ভালো, কোন পথে এগোলে ভালো করবে এবং কীভাবে শুরু করবে—এসব বিষয়ে ব্যক্তিগত পরামর্শ দেওয়া হয়।
কম্পিউটার স্কুলে শেখা শেষ হলেও সম্পর্ক শেষ হয় না। সার্টিফিকেট, কমিউনিটি, ক্যারিয়ার সাপোর্ট, আপডেটেড কনটেন্ট ও মেন্টরশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করি আমরা।
কোর্স সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ভেরিফিকেশন সুবিধা থাকে।
যোগ্য ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ, প্র্যাকটিক্যাল কাজ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করা হয়।
কম্পিউটার স্কুলের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে তৈরি হচ্ছে একটি শক্তিশালী কমিউনিটি, যেখানে অভিজ্ঞতা, সুযোগ ও নেটওয়ার্কিংয়ের জায়গা তৈরি হয়।
শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, জব মার্কেট, ফ্রিল্যান্সিং, উদ্যোক্তা হওয়া এবং স্কিল আপডেট নিয়ে নিয়মিত সেমিনার আয়োজন করা হয়।
ঢাকার ক্যাম্পাসে সরাসরি ক্লাসের পাশাপাশি দূরের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন লার্নিং ও সাপোর্ট সুবিধা থাকে।
কোর্স শেষে নতুন টেকনিক, দরকারি রিসোর্স, ক্যারিয়ার গাইডলাইন এবং কমিউনিটি সাপোর্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আপডেট রাখার চেষ্টা করা হয়।
শিখুন সেরাদের সাথে মাতৃভাষা বাংলায়।—আপনার সুবিধামতো শেখা শুরু করুন অনলাইন বা অফলাইনে, কোর্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন অথবা সরাসরি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।